কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এ ০৯:২৯ PM

শান্তি নিবাস (Old Home)

কন্টেন্ট: পাতা

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এ দেশের একটি অন্যতম জাতিগঠনমূলক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়-যা মানব সম্পদ উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, অবহেলিত ও অনগ্রসর জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করছে। এ দেশের গ্রাম ও শহরে বসবাসকৃত অবহেলিত ও অনগ্রসর জনগণ, বেকার, ভূমিহীন, ছিন্নমূল, ভবঘুরে, সামাজিক, মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী, অসহায় দুঃস্থ রোগী, কিশোর অপরাধী, দুঃস্থ শিশু ও প্রবীণদের উন্নয়নে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জাতি গঠনমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৯৫৫ সালে দেশে সমাজকল্যাণ কার্যক্রম শুরু হলেও ১৯৬১ সালে সমাজসেবা পরিদপ্তরের সৃষ্টি হয়। ষাটের দশকের সৃষ্টিকৃত পরিদপ্তর আজ সমাজসেবা অধিদপ্তরে উন্নীত হয়েছে। এ অধিদপ্তর জাতিসংঘসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সনদ বা কনভেনশন বাস্তবায়নের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জাতিসংঘ ঘোষিত সার্বজনীন মানবাধিকার সনদ, শিশু অধিকার সনদ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সনদ ইত্যাদি বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। প্রথম দিকে কল্যাণকামী দৃষ্টিভঙ্গি (Welfare Approach)  নিয়ে কাজ করলেও বর্তমানে এ অধিদপ্তর অধিকার ও ক্ষমতায়ন দৃষ্টিভঙ্গি (Right Based and Empowerment Approach) নিয়ে নতুন নতুন কার্যক্রম গ্রহণ করছে।

 

১৯৯৭-৯৮ সালে সরকার সিনিয়র সিটিজেনদের অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে সমাজসেবা অধিদপ্তর তথা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বয়স্কভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং অদ্যাবধি তার সংখ্যা ও আর্থিক পরিমাণ বেড়েই চলেছে। প্রথম পর্যায়ে দেশের ৮ বিভাগের ৮ টি সরকারি শিশু পরিবারের অভ্যন্তরে ২৫ (পঁচিশ) শয্যা বিশিষ্ট শান্তি নিবাস স্থাপন শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় দেশের সকল জেলায় শিশু পরিবারের অভ্যন্তরে এ ধরনের শান্তি নিবাস স্থাপন করা হবে।

 

 ‘শান্তি নিবাস’ কার্যক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:

  1. দেশের বিভিন্ন স্থান (জেলাভিত্তিক) হতে প্রাপ্ত ৬০+ বছর বয়সী পরিত্যক্ত, দাবিদারহীন, দুর্দশাগ্রস্ত এবং অবহেলিত প্রবীণ ব্যক্তিদের নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা করা;
  2. অনাথ শিশুদের সাথে প্রবীণদের সহাবস্থানের ভিত্তিতে পারিবারিক আবহে শিশুদের বেড়ে ওঠার লক্ষ্যে শান্তি নিবাস স্থাপন;
  3. অবহেলিত প্রবীণ ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা;
  4. অবহেলিত প্রবীণ ব্যক্তিদের পরিচর্যা, নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সকল চাহিদা যথাযথভাবে নিরূপণ করে সেই হিসেবে ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

‘শান্তি নিবাস’ এর অবস্থান:

 

সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় বর্তমানে রাজস্ব খাতে ঢাকা, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, তৈরি, রাজশাহী, খুলনা এবং বরিশাল বিভাগে একটি করে শান্তিনিবাস স্থাপন করা হয়েছে। নিম্নে শান্তি নিবাসের অবস্থান এবং আসন সংখ্যা প্রদত্ত হলো:

ক্রম

প্রতিষ্ঠানের নাম

বিভাগ

জেলা

আসন সংখ্যা

শান্তি নিবাস (প্রবীণা), শেখ রাসেল দু:স্থ শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র, টুঙ্গিপাড়া।

ঢাকা

 

গোপালগঞ্জ

 

25

শান্তি নিবাস (প্রবীণা), সরকারি শিশু পরিবার, লালমনিরহাট।

রংপুর

 

লালমনিরহাট

 

25

শান্তি নিবাস (প্রবীণ), সরকারি শিশু পরিবার (বালক),

 

ময়মনসিংহ।

 

ময়মনসিংহ

25

শান্তি নিবাস (প্রবীণা), সরকারি শিশু পরিবার, সুনামগঞ্জ।

সিলেট

সুনামগঞ্জ

 

২৫

শান্তি নিবাস (প্রবীণা), সরকারি শিশু পরিবার, নোয়াখালী।

চট্টগ্রাম

 

নোয়াখালী

 

২৫

 ৬

শান্তি নিবাস (প্রবীণ), সরকারি শিশু পরিবার (বালক), রাজশাহী।

রাজশাহী

 

রাজশাহী

 

২৫

 

শান্তি নিবাস (প্রবীণ), সরকারি শিশু পরিবার, খুলনা।

খুলনা

খুলনা

২৫

শান্তি নিবাস (প্রবীণ), সরকারি শিশু পরিবার, (বালক), বরিশাল।

বরিশাল

 

বরিশাল

 

২৫

 

 

 ‘শান্তি নিবাস’ এর কার্যক্রম:

 

শান্তি নিবাসের কার্যক্রম জনবল নিয়োগের পরেই শীঘ্রই কার্যক্রম চালু করা হবে।

 

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন