কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ১১:২২ AM

চা শ্রমিক ও অনগ্রসর

কন্টেন্ট: পাতা

চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি

চা শিল্প বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প। জাতীয় অর্থনীতিতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বাংলাদেশের চা উৎপাদনের পরিমাণ বছরে প্রায় শতাধিক মিলিয়ন কেজি এবং এখান থেকে চা রপ্তানি করা হয় ২৫টি দেশে। এই চা উৎপাদনের যারা সরাসরি জড়িত তারাই চা-শ্রমিক। কিন্তু চা-শ্রমিকরা সকল নাগরিক সুবিধা ভোগের অধিকার সমভাবে প্রাপ্য হলেও তারা পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে বৈষম্যের শিকার বলে প্রতিয়মান। তাদের প্রতি সদয় আচরণ ও তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হওয়া পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, সকলের দায়িত্ব। অবহেলিত ও অনগ্রসর এ জনগোষ্ঠীর মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ, তাদের সামাজিক ন্যায় বিচার নিশ্চিতকরণ, পারিবারিক ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের আওতায় ‘চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রম’ গ্রহণ করেছে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:

ক) আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;

খ) আপতকালীন সময়ে চা-শ্রমিকদের অর্থ সহায়তা প্রদান;

গ) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি।

কর্মসূচি বাস্তবায়নের কৌশল:

প্রকৃত দুঃস্থ চা-শ্রমিকদের সনাক্ত করে সমাজসেবা অধিদফতরের জনবল, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও চা বাগান কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এ নীতিমালা অনুসরণ করে প্রকৃত দুঃস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের তালিকা প্রণয়নপূর্বক গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।

কার্যএলাকা:

সিলেট, চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগের সংশ্লিষ্ট জেলাসমুহে, চা বাগানে কর্মরত চা শ্রমিকগণ এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত হবেন।

অর্থসহায়তার পরিমাণ:

প্রকৃত দুঃস্থ ও গরীব চা-শ্রমিককে নির্বাচন করে প্রতি চা-শ্রমিক পরিবারকে মাসিক ভাতা ৬৫০/- টাকা।

বিশেষ ভাতা প্রদান:

প্রার্থী নির্বাচনের মানদন্ড:

(ক) শারীরিকভাবে অক্ষম অর্থাৎ সম্পূর্ণরূপে কর্মক্ষমতাহীন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে;

(খ) সর্বোচ্চ বয়স্ক ব্যক্তি, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দরিদ্র, ভূমিহীন ও গৃহহীন ব্যক্তি, পরিবারে একাধিক শিশু সদস্য আবেদনকারীর উপর নির্ভরশীল থাকলে তাঁকে ও নারী আবেদনকারীকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বিশেষ ভাতা প্রাপ্তির যোগ্যতা শর্তাবলী:

(ক) প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে;

(খ) সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে;

(গ) অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর সদস্য হতে হবে।

(ঘ) জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন থাকতে হবে;

(ঙ) চা-শ্রমিকদের ক্ষেত্রে বয়স ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব;

(চ) চা-শ্রমিক জনগোষ্ঠী প্রার্থীর বার্ষিক আয় অন্যূন ৯১,০০০ (একানব্বই হাজার) টাকা হতে হবে; তবে,

(ছ) বাছাই কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হতে হবে।

শিক্ষা উপবৃত্তি :

শিক্ষার্থী নির্বাচনের মানদন্ড:

(ক) মেধাবী শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে;

(খ) স্বাস্থ্যগতভাবে দূর্বল শিক্ষার্থীকে অগ্রাধিকার দিতে হবে;

(গ) সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে;

(ঘ) দরিদ্র, ভূমিহীন ও গৃহহীন অনগ্রসর শিক্ষার্থীকে অগ্রাধিকার দিতে হবে;

(ঙ) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানের নিবাসীদের মধ্য হতে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীভুক্ত শিক্ষার্থীকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

উপবৃত্তি প্রাপ্তির যোগ্যতা শর্তাবলী

(ক) বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে;

(খ) জন্ম সনদ অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয় পত্র (NID) থাকতে হবে;

(গ) বয়স ৫ বছর বা তদূর্ধ্ব হতে হবে (জন্ম সনদ অনুযায়ী);

(ঘ) অনুচ্ছেদ ২ এর উপনুচ্ছেদ (১৫) অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত;

(ঙ) শিক্ষার্থীর অভিভাবকের বার্ষিক গড় আয় অন্যূন ৯১,০০০ (একানব্বই হাজার টাকা) হতে হবে।

(চ) তালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার মাসে কমপক্ষে ৫০% থাকতে হবে এবং নিয়মিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণসহ বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে;

(ছ) বাছাই কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হতে হবে।

অর্থসহায়তার পরিমাণ:

প্রকৃত দুঃস্থ ও গরীব চা-শ্রমিক পরিবারের সন্তানদের ৪ স্তরে শিক্ষা উপবৃত্তি যথাক্রমে (৭০০/-,৮০০/-,১০০০/- ও ১২০০/-) টাকা প্রদান করা হবে।

বছরওয়ারী বরাদ্দ (২০১৩-১৪ অর্থবছর হতে ২০২৫-২৬)

অর্থবছর

বরাদ্দ

উপকারভোগী

২০১৩-১৪১ কোটি২০০০ জন
২০১৪-১৫৫ কোটি১০০০০ জন
২০১৫-১৬১০ কোটি২০০০০ জন
২০১৬-১৭১৫ কোটি৩০০০০ জন
২০১৭-১৮১৫ কোটি৩০০০০ জন
২০১৮-১৯২০ কোটি৪০০০০ জন
২০১৯-২০২৫ কোটি৪৯৯০০ জন
২০২০-২১২৫ কোটি৫০০০০ জন
২০২১-২২২৫ কোটি৫০০০০ জন
২০২২-২৩৩০ কোটি৬০০০০ জন
২০২৩-২৪৩০ কোটি ২১ লক্ষ৬০০০০ জন
২০২৪-২৫৩৬ কোটি ২৭ লক্ষ৬০০০০ জন
২০২৫-২৬১১২ কোটি ৩১ লক্ষ১৩৭০০০ জন ভাতা ৫০০০ জন শিক্ষা উপবৃত্তি ১৫০০ জন প্রশিক্ষন

কর্মসূচির নামঃ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি

ভুমিকাঃ অনগ্রসর জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি ক্ষুদ্র অংশ। সমাজসেবা অধিদফতরের জরিপমতে বাংলাদেশে অনগ্রসর জনগোষ্ঠী প্রায় ১৪,৯০,০০০ জন। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন তথা এ জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। ২০১২-১৩ অর্থবছর হতে ২০১৮-১৯ পর্যন্ত বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি দুটি একত্রে ছিল। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ কর্মসূচি পৃথক হয়ে "অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি "নামে স্বতন্ত্র কর্মসূচি হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

অনগ্রসর সম্প্রদায়ের সংজ্ঞা

অনগ্রসর সম্প্রদায় বা শ্রেণী যারা সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী। চরম অবহেলিত, বিছিন্ন, উপেক্ষিত জনগোষ্ঠী হিসেবে এরা পরিচিত। অনগ্রসর জনগোষ্ঠী হিসেবে জেলে, সন্যাসী, ঋষি, বেহারা, নাপিত, ধোপা, হাজাম, নিকারী, পাটনী, কাওড়া, তেলী, পাটিকর, সুইপার, মেথর বা ধাঙ্গর, ডোমার, ডোম, রাউত, ও নিম্নশ্রেণীর পেশার জনগোষ্ঠী।

কর্মসূচির সংক্ষিপ্ত পটভূমি:

এস ডি জি এর মূল মন্ত্র “কাউকে পিছিয়ে রাখা যাবেনা” বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হিসেবে অনগসর সম্প্রদায়কে মূলস্ত্রোতে আনয়নের জন্য ২০১২-২০১৩ অর্থ বছর হতে পাইলট কর্মসূচি হিসেবে দেশের ৭টি জেলাকে অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে নতুন ১৪ জেলাসহ মোট ২১টি জেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয় এবং জেলাগুলো হচ্ছে ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, কুমিল্লা, পাবনা, নওগাঁ, দিনাজপুর, নীলফামারী, যশোর, কুষ্টিয়া, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী এবং হবিগঞ্জ। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে পূর্বের ২১ জেলা সহ নতুন ৪৩টি জেলায় কর্মসূচি সম্প্রসারণ করে মোট ৬৪ জেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ কর্মসূচিটি পৃথক হয়ে বেদে জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি নামকরণ হয়। 2021-22 অর্থবছর হতে এ কর্মসূচির বিশেষ ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রমের নগদ সহায়তায় জিটুপি পদ্ধতিতে প্রদান করা হচ্ছে।

লক্ষ ও উদ্দেশ্য : অসগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিম্নরূপ :

  1. স্কুলগামী অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৪ স্তরে (প্রাথমিক ৭০০, মাধ্যমিক ৮০০, উচ্চ মাধ্যমিক ১০০০ এবং উচ্চতর ১২০০ টাকা হারে) মাসিক উপবৃত্তি প্রদান;
  2. বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মক্ষম বেদে জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি ও আয়বর্ধনমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করে তাদের সমাজের মূলস্রোতধারায় আনয়ন;
  3. ৫০ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের অক্ষম ও অসচ্ছল ব্যক্তিকে বিশেষ বয়স্ক ভাতা জনপ্রতি মাসিক ৫০০ টাকা হারে প্রদান;
  4. ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে অসচ্ছল ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণোত্তর পুর্নবাসন সহায়তা বাবদ ১০,০০০/-(দশ হাজার) টাকা আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাদের মনোবল জোরদার করণ;

উপকারভোগীর পরিসংখ্যান

অর্থবছরবরাদ্দবিশেষ বয়স্ক ভাতাভোগীশিক্ষা উপবৃত্তিভোগীপ্রশিক্ষণপ্রশিক্ষণ উত্তর সহায়তা
২০১২-১৩৬৬,০০,০০০/-২১০০৮৭৫চালু হয় নিচালু হয় নি
২০১৩-১৪৭,৯৬,৯৮,০০০/-১০৫০০২৮৭৭১০৫০চালু হয় নি
২০১৪-১৫৯,২২,৯৪,০০০/-১০৫৩৯২৮৭৭১০০০২১০ জন
২০১৫-১৬১৮,০০,০০,০০০/-১৯১৩৯৮৫২৬১২৫০১২৫০ জন
২০১৬-১৭২০,৩০,০০,০০০/-১৯৩০০৮৫৮৫১২৫০১২৫০ জন
২০১৭-১৮২৭,০০,০০,০০০/-২৩২০০১০৭৩২২০০০২০০০ জন
২০১৮-১৯৫০,০৩,০০,০০০/-৪০০০০১৯০০০২0০০২0০০ জন
২০১৯-২০57,87,00,000/-৪৫০০০২১৯০০২০০০২০০০ জন
২০২০-২১57,87,00,000/-৪৫২৫০২১৯০৩২০০০২০০০ জন
২০২১-২২57,87,00,000/-৪৫২৫০২১৯০৩২০০০২০০০ জন
২০২২-২৩57,87,00,000/-৪৫২৫০২১৯০৩১৬০০১৬০০ জন
২০২৩-২৪৬৮,৮৯,০০,০০০/-৫৪৩০০২৬২৮৩১৯২০১৯২০ জন
২০২৪-২৫৬৮,৩৯,০০,০০০/-৬০০০০২৮৯১২১৯২০১৯২০ জন
২০২৫-২৬৮৬,১১,০০,০০০/-৬৬০০০৩১৯০২১৫০০১৫০০ জন

সেবা প্রাপ্তির স্থান/অফিসের নাম:

উপজেলা/শহর সমাজসেবা অফিস

দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা / কর্মচারী:

উপজেলা / শহর সমাজসেবা অফিসার

সেবা প্রদান পদ্ধতি (সংক্ষেপে):

বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে উপজেলা/শহর সমাজসেবা অফিসার বিজ্ঞপ্তি প্রচার করেন অত:পর নির্ধারিত ফরমে আগ্রহী ব্যক্তিদের সমাজসেবা অফিসার বরাবর আবেদন করতে হয় । প্রাপ্ত আবেদন ইউনিয়ন কমিটি কর্তৃক সরেজমিনে যাচাই-বাছাই করে প্রস্তাব আকারে উপজেলা কমিটিতে প্রেরণ করে। অত:পর উপজেলা কমিটি যাচাই বাছাই করে বরাদ্দ অনুসারে উপকারভোগী নির্বাচন করে। নির্বাচিত ব্যক্তির নামে এমআইএসে ডাটা এন্ট্রি, ব্যাংক হিসাব খোলা, যাচাইকরণ এবং মাঠপর্যায়ের অফিস হতে পেরোল প্রেরণ করা হয়। প্রেরিত পেরোল অনুমোদনসাপেক্ষে আইবাস++ এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে উপকারভোগীর মোবাইল/ব্যাংক হিসাবে ভাতার অর্থ প্রেরিত হয়। এছাড়াও জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ১৮ বছর বয়সের উর্ধ্ব কর্মক্ষম ব্যক্তিদেরকে ট্রেড ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয় । প্রশিক্ষণার্থীদেরকে প্রশিক্ষণোত্তর অফেরতযোগ্য ১০,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময়:

. নতুন বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আবেদনের ০৩ মাসের মধ্যে প্রতিবছর জুলাই থেকে ভাতা প্রদান শুরু হয়।

. পুরাতন বা নিয়মিতদের ক্ষেত্রে ০৭ কর্মদিবস

প্রয়োজনীয় ফি/ট্যাক্স/আনুষঙ্গিক খরচ: বিনামূল্যে

বিনামূল্যে

সংশ্লিষ্ট আইন/বিধি/ নীতিমালা:

বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি নীতিমালা ২০১৩

নির্দিষ্ট সেবা পেতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা :

১. চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ (সংশ্লিষ্ট উপজেলা)

২. জেলা প্রশাসক (সংশ্লিষ্ট জেলা) বা সিটিকরপেরেশন / পৌরসভার ক্ষেত্রে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা / আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (সংশ্লিষ্ট প্রশাসন)

৩. কর্মসূচি পরিচালক

আইন, বিধি বাস্তবায়ন আইন/নীতিমালা/বিধিমালা/নির্দেশিকা/প্রজ্ঞাপণ/পরিপত্র/গুরুত্বপূর্ণ অফিস আদেশ:

. অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন সমন্বিত নীতিমালা, ২০২৫

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন