কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬ এ ১০:০২ AM

হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম

কন্টেন্ট: পাতা

হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম

পটভূমি:

রোগ মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে অসহায় করে তোলে। দুর্দশাগ্রস্ত দরিদ্র রোগীদের জন্য অসুস্থতা আরও বেশি পীড়াদায়করোগগ্রস্ত মানুষকে তাদের মৌলিক অধিকার চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য হাসপাতাল সমাজকর্মের গুরুত্ব ও কার্যকারিতা অপরিসীম। সমাজসেবা অধিদফতরের আওতায় পরিচালিত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মধ্যে হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমএকটি দৈনন্দিন সেবাধর্মী গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম, যা দরিদ্র, দুস্থ, অসহায় ও আর্ত-পীড়িতদের সেবার সাথে সরাসরি সম্পৃক্তহাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে দরিদ্র, অসহায় রোগীদের মানসিক, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং অসুস্থতা বিষয়ক বিভিন্ন সহায়তার মাধ্যমে রোগীর মানসিক শক্তি বৃদ্ধি, চিকিৎসার ব্যয় বহন, চিকিৎসককে রোগীর রোগ ও রোগের কারণ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য প্রদান এবং চিকিৎসা শেষে তার পুনর্বাসনের জন্য সহায়তা প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৫৮ সালে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান ন্যাশনাল কাউন্সিল অব সোস্যাল ওয়েলফেয়ার এর উদ্যোগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ (দুই) জন চিকিৎসা সমাজকর্মী নিয়োগ করা হয়এ কর্মসূচি বিশেষ ফলপ্রসূ হওয়ায় ১৯৬১ সালে সমাজকল্যাণ পরিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হবার পর চট্টগ্রাম ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকাস্থ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালে এ প্রকল্প সম্প্রসারণ করা হয়এভাবে মোট ৩৮ জন চিকিৎসা সমাজকর্মী নিযুক্ত হনঅতঃপর তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকালে দেশের ১২টি হাসপাতালে ১২টি ইউনিট এবং পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে ঢাকা মহানগরীতে ২টি, খুলনা শহরে ১টি ও নতুন জেলা সদরে ৩৩টি সর্বমোট ৩৬টি হাসপাতালে উন্নয়ন খাতে ৩৬টি ইউনিট চালু করা হয়কার্যক্রম ফলপ্রসূ হওয়ায় ১৯৯৪ সালে আরও ৮টি হাসপাতালে ইউনিট চালু করা হয়বর্তমানে ঢাকা মহানগরীসহ ৬৪টি জেলায় জেলা পর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ১২৩টি ইউনিট এবং উপজেলা পর্যায়ে ৪২০ টি উপজেলা হেল্থ কমপ্লেক্সে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যার মোট সংখ্যা-৫৪৩টিএই কার্যক্রমটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমাজসেবা অধিদফতরাধীন প্রতিটি হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর আওতায় নিবন্ধিতরোগীকল্যাণ সমিতিরয়েছে

হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমের লক্ষ্য ও কৌশলগত উদ্দেশ্য:

* লক্ষ্য (Goal): সরকারের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), সরকারি কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি (জিপিএমএস) ও সরকারের গৃহীতব্য যে কোন কর্মসূচি বাস্তবায়নের নিমিত্ত হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমের লক্ষ্য হবে নিম্নরূপ:

(ক) রোগীর মানসিক, সামাজিক ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে চিকিৎসা গ্রহণ, রোগ নিরাময়, সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিতকরণ;

(খ) নিয়মিত স্বাস্থ্য পরিচর্যা, পরিবার পরিকল্পনা এবং সব ধরনের সংক্রামক, অসংক্রামক, ছোঁয়াচে ও জটিল রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা বৃ্দ্ধি;

(গ) হাসপাতালে পরিত্যক্ত, অজ্ঞাত ও সুবিধাবঞ্চিত শিশু/ব্যক্তিকে বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা অনুসারে পুনর্বাসনের উদ্যোগ গ্রহণ;

(ঘ) চিকিৎসা-পরবর্তী কর্মক্ষম ও সহায়সম্বলহীন ব্যক্তিকে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্তকরণ;

(ঙ) ক্যান্সার, কিডনি রোগ, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, থ্যালাসেমিয়াসহ জটিল রোগাক্রান্ত ব্যক্তিদের অগ্রাধিকারভিত্তিতে সেবাদান; এবং

(চ) সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে রোগী ও তাঁর পরিবারের টেকসই উন্নয়ন ও সমাজে পুনঃএকীকরণ।

* কৌশলগত উদ্দেশ্য (Strategic Objectives): দরিদ্র, অসহায়, সমস্যাগ্রস্ত রোগীর যত্নশীল চিকিৎসাসেবা ও পুনর্বাসন সহায়তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমের কৌশলগত উদ্দেশ্য হবে নিম্নরূপ:

(ক) স্টেকহোল্ডারদের সাথে সমন্বয় সাধন;

(খ) রোগী এবং চিকিৎসকের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি;

(গ) রোগীর কেস ব্যবস্থাপনা;

(ঘ) শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উন্নয়ন; এবং

(ঙ) মূলস্রোতধারায় সম্পৃক্তকরণ।

প্রদেয় সেবাসমূহ:

মানসিক সেবা

  • রোগীকে নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য মানসিক সেবা দান;

  • অপারেশন এবং দুরারোগ্য রোগের ক্ষেত্রে রোগীর মনোবল বৃদ্ধি ও সাহস জোগানো;

  • হাসপাতালে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে আগত নির্যাতিত নারী ও শিশুদের মনোবল বৃদ্ধিতে তাৎক্ষণিক মোটিভেশন ও কাউন্সেলিং সেবা প্রদান;

  • হিজড়া শিশুর চিকিৎসা গ্রহণে পিতা-মাতাকে কাউন্সেলিং এবং মোটিভেশনের মাধ্যমে মনোবল বৃদ্ধি ও সাহস জোগানো;

  • আশ্রয়হীন ও ঠিকানাবিহীন রোগীর মানসিক উন্নয়নে সহায়তা দান; এবং

  • মানসিক ও মাদকাসক্ত রোগীদের মানসিক উন্নয়নে সহায়তার পাশাপাশি অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধকরণ ও পরামর্শ প্রদান।

সামাজিক সেবা

  • হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা প্রাপ্তিতে তথ্য দিয়ে সহায়তা;

  • সমাজসেবা অধিদফতরাধীন চিকিৎসা সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে ক্যান্সার, কিডনি রোগ, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, থ্যালাসেমিয়া ও অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীকে সাহায্য প্রাপ্তির ব্যবস্থা গ্রহণ;

  • জটিল রোগসমূহ যেমন-ক্যান্সার, কিডনি রোগ, লিভার সিরোসিস, যক্ষ্মা, এইডস ও অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীকে ডাক্তারের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে প্রয়োজনে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরে সহযোগিতা প্রদান;

  • অজ্ঞাত রোগীর ক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ; ‍

  • প্রয়োজনে রোগীর গৃহ পরিদর্শন, ফলোআপ ও পরিবারবর্গের সাথে যোগাযোগ;

  • শিশু, প্রতিবন্ধী, হিজড়া ব্যক্তি ও প্রবীণদের চিকিৎসা সেবায় অগ্রাধিকার প্রদান;

  • আশ্রয়হীন, ঠিকানাবিহীন ও পরিত্যক্ত শিশু অথবা ব্যক্তির চিকিৎসাসহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সমাজসেবা অধিদফতরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ;

  • পরিবার-পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য পরিচর্যা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং ছোঁয়াচে ও সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ বিষয়ে নিয়মিত ইনডোর ও আউটডোর রোগীদের কাউন্সেলিং ও উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে সেবাদান;

  • ছোঁয়াচে ও সংক্রামক রোগের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সেমিনার, কর্মশালা ইত্যাদি আয়োজন এবং প্রচারণামূলক লিফলেট, ব্রুসিয়ার ইত্যাদি প্রকাশ ও প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ; এবং

  • ক্ষেত্রমত, রোগীদের চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থা গ্রহণ, যেমন: টিভি, দৈনিক পত্রিকা, ম্যাগাজিন ইত্যাদির কর্ণার, শিশু খেলাঘর ইত্যাদি স্থাপন

আর্থিক সেবা

আর্থিকভাবে অসচ্ছল সেবাপ্রার্থী রোগীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং রোগীকল্যাণ সমিতির সক্ষমতা বিবেচনায় রোগীর অনুকূলে নিম্নবর্ণিত চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হবে-

ক. উপকরণ সহায়তা:
১) ঔষধ;

২) অপারেশন সামগ্রী;

৩) নেবুলাইজার, ইনহেলার ইত্যাদি;

৪) ডায়ালাইসিস, কেমোথেরাপি ও অন্যান্য থেরাপি ব্যয়;

৫) হুইল চেয়ার, ক্র্যাচ, চশমা, কৃত্রিম অঙ্গ ও অন্যান্য সহায়ক সামগ্রী;
৬) রোগীর পথ্য ও পুষ্টিকর খাদ্যসামগ্রী; এবং
৭) রক্ত ও রক্তজাত উপাদান।

খ. নগদ আর্থিক সহায়তা:
১) পরীক্ষা-নিরীক্ষা;
২) রক্ত ও রক্তজাত উপাদান;
৩) অ্যাম্বুলেন্স ও রোগীর যাতায়াত ভাড়া; এবং
৪) লাশ পরিবহন ও মৃতের সৎকার।

রোগীকল্যাণ সমিতির আয়ের উৎস:

  • বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের এককালীন বার্ষিক অনুদান;
  • সাধারণ ও আজীবন সদস্য চাঁদা;
  • দানশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যাকাত, দান, অনুদান হিসাবে প্রাপ্ত নগদ অর্থ;
  • দানশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রাপ্ত চিকিৎসা সহায়ক দ্রব্যসামগ্রী;
  • বিভিন্ন আয়বর্ধক কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাপ্ত নগদ অর্থ ইত্যাদি

সেবাগ্রহীতা:

  • হাসপাতালে অন্তঃ ও বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা গ্রহণকারী দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ রোগী

সেবাদানকারী হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়সমূহ:

জেলা পর্যায়ে - ১২৩ টি, উপজেলা পর্যায়ে ৪২০টি

সর্বমোট - ৫৪৩টি ইউনিট

সরকারী হাসপাতাল-৫২৪ টি, বেসরকারী হাসপাতাল -১৯টি

  • মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল - ২৬ টি

    • বিশেষায়িত হাসপাতাল - ২৮ টি

    • জেনারেল হাসপাতাল - 6৯ টি

    • উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স - ৪২০টি

৯7টি ইউনিটে হাসপাতাল সমাজসেবা অফিসারের স্থায়ী পদ সংখ্যা- ১০৯টি

সেবা প্রাপ্তির সময়:

  • কর্মদিবসের সকাল ৮.০০ মি: হতে বেলা ২.৩০ মি: অথবা সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের নিজস্ব অফিস সময়সূচি

প্রয়োজনীয় ফি/ট্যাক্স/ আনুষঙ্গিক খরচ

  • বিনামূল্যে;

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা:

  • সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল সমাজসেবা অফিসার, হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয় এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার;

  • রোগীকল্যাণ সমিতির সভাপতি/হাসপাতাল প্রধান;

  • নির্দিষ্ট সেবা পেতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা:

জেলার ক্ষেত্রে:

  • উপপরিচালক, সংশ্লিষ্ট জেলা

বিভাগের ক্ষেত্রে:

  • বিভাগীয় পরিচালক,সংশ্লিষ্ট বিভাগ

সদর দফতরের ক্ষেত্রে:

  • পরিচালক(কার্যক্রম), সমাজসেবা অধিদফতর, আগারগাঁও, ঢাকা

  • অতিরিক্ত পরিচালক (কার্যক্রম-), সমাজসেবা অধিদফতর, আগারগাঁও, ঢাকা

  • উপপরিচালক (চিকিৎসা), সমাজসেবা অধিদফতর, আগারগাঁও, ঢাকা

সংশ্লিষ্ট আইন/বিধি/নীতিমালা

  • হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন নীতিমালা-২০১১

  • স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৬১ অনুসারে গঠিত রোগীকল্যাণ সমিতির গঠনতন্ত্র;

নাগরিকের সহযোগিতার ক্ষেত্র:

  • দরিদ্র রোগী সম্পর্কে হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়ে অবহিতকরণ;

  • কার্যক্রম পরিচালনায় কোন ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হলে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা;

  • রোগীকল্যাণ সমিতির সাধারণ ও আজীবন সদস্য হওয়া;

  • রোগীকল্যাণ সমিতিতে যাকাত, দান, অনুদান ইত্যাদি আর্থিক সহায়তা করা;

  • রোগীকল্যাণ সমিতিতে চিকিৎসা সহায়ক সামগ্রী দান;

  • রোগীদের প্রতি সহমর্মী আচরণ করা;

সেবা প্রদানের পরিসংখ্যান:

সেবাপ্রদানকারীকার্যালয়

:

জুলাই ২০২৪ হতে জুন ২০২৫ পর্যন্ত উপকারভোগীর সংখ্যা

ঢাকা মহনগরীসহ ৬৪ জেলায় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ১২৩ টি ইউনিট ও উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে ৪২০টি, সর্বমোট ৫৪৩টি ইউনিট

আর্থিক ভাবে

সামাজিক অন্যান্যভাবে

পুনর্বাসন

মোট উপকারভোগীর সংখ্যা

মোট ব্যয়িত অর্থের পরিমাণ

2,33,060 জন

4,88,902 জন

13

7,21,975 জন

34674470৩/-

জুলাই ২০২৫ হতে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত উপকারভোগীর সংখ্যা

আর্থিক ভাবে

সামাজিক অন্যান্যভাবে

পুনর্বাসন

মোট উপকারভোগীর সংখ্যা

মোট ব্যয়িত অর্থের পরিমাণ

1,84,897 জন

3,63,843 জন

0

5,48,740 জন

276567417/-

শুরু থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত মোট উপকারভোগীর সংখ্যা

4,52,30,768 জন

সমাজসেবা অফিসার (হাসপাতাল) তালিকা

সকল জেলা এবং ঢাকা মহানগরী হাসপাতালের নিবন্ধন নম্বর, ফোন, ইমেইল ও ব্যাংক হিসাব নম্বর

https://objectstorage.ap-dcc-gazipur-1.oraclecloud15.com/n/axvjbnqprylg/b/V2Ministry/o/office-dss/2024/12/bfa0ab62124b48f893a7bd404c1b8fc0.pdf

সকল জেলা এবং ঢাকা মহানগরী হাসপাতালের ব্যাংক হিসাব নম্বর

https://objectstorage.ap-dcc-gazipur-1.oraclecloud15.com/n/axvjbnqprylg/b/V2Ministry/o/office-dss/2024/12/2c3828ad4408445c8a2537d9708ad332.pdf

ফাইল ১

ফাইল প্রিভিউ ওয়েব ব্রাউজারে সমর্থিত নয়

ফাইল ১

ডাউনলোড করুন

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন